বাংলাদেশের ভবিষৎ কি আফগানিস্তান ও সিরীয়া হতে যাচ্ছে !!!!!
By Shiplu Kumar Barmon
Writer & seeker
বাংলাদেশে ইসলামিক মৌলবাদীর উত্থানের ইতিহাস অনেক পুরাতন । যদিও এই উত্থানটা গত কয়েক দশক ধরে ধীরে ধীরে হয়েছে বিভিন্ন কারণে তবে এর উগ্রবাদিতা দেখা যায় জুলাই ২০২৪ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে । এই জুলাই ২০২৪ আন্দোলন তথা ছাএ আন্দোলন এর সাথে বড়ো ভূমিকা পালন করে কিছু রাজনৈতিক দল ও ইসলামিক চরমপন্থী দল ।
অতীতে মৌলবাদী সংগঠনগুলো কদাচিত্ মিছিল-সমাবেশ করতো। সম্প্রতি ১১ দলীয় জোটের সরকার বিরোধী আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের যুব ও ছাএ সম্প্রদায় আধুনিক ও বর্বোরচিত কায়দায় থানা পুড়িয়ে দিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে হত্যা করেছে এবং থানা থেকে আগ্নেয় অস্র লুট করেছে , জেল ভেঙে যত কুখ্যাত সন্ত্রাসী ছিল তাদের মুক্ত করেছে , ইনফ্রাস্ট্রাকচার ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, রাস্তা ব্যারিকেড এবং অতর্কিত হামলা সহ মব সৃষ্টি করে কত যে যান মালের ক্ষতি করছে তার হিসাব নেই।
অন্য দিকে আরেক রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বি ন পি ) এর মহা সচিব তারেক রহমান লন্ডনে বসে বসে ইসলামী মৌলবাদকে উস্কিয়ে দিয়েছে বর্বরোচিত কায়দায় এবং সমর্থন দিয়ে গেছে জুলাই ২০২৪ আন্দোলনে যাতে সে ক্ষমতায় যেতে পারে ।
২০২৪ শের ৫ঐ অগাস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের মধ্যে দিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু হয় বাংলাদেশের যার প্রধান উপদেষ্টা হয় ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস । ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস এর কাছে সর্ব স্তরের মানুষের আস্থা ছিল তার নেতৃত্বে দেশ স্থিতিশীল হবে. কিন্তু হায় হলো এর উল্টো । শুধু ইউনুস নয় যত উপদেষ্টা ছিল এই ইন্টেরিম গভার্মেন্টের তাদের সবাই আখের গোছাতে বেস্ত ছিল ।
জনাব তারেক রহমান ডঃ ইউনুস এর সাথে যোগসাজস করে ২০২৬ এর ১২ই ফেব্রুয়ারি প্রহসন এর নির্বাচনের মাধ্যমে জয় লাভ করে সরকার গঠন করে । যদিও বি ন পি ৪৯.৯৭% ভোট পেয়ে জয় লাভ করে দেশের প্রধান মন্ত্রী হয়েছেন আদতে সে একজন টাকা পাচার কারী যে কিনা দেশকে ধ্বংস করে দেশের টাকা লুট করেছে যার তথ্য এফ বি আই এর কাছে আছে ।
অন্যদিকে বর্তমানে প্রধান বিরোধী দল জামায়েত ইসলাম (রাজাকারের দল) একই নির্বাচনে ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে । এই রাজাকারের দল ইসলামিক উগ্রবাদকে সমর্থন দিয়ে ক্ষমতায় আস্তে চেয়েছিলো । এই জামায়েত ইসলাম এর আমির একজন অসব্য ও ইতর প্রকৃতির মানুষ । আমার দেখা অনেক ভিডিওতে আমিরকে দেখেছি সে তৃতীয় লিঙ্গের মতো আচরণ করতে ।
২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনে জেল ভেঙে পালানো আসামিরা তাদের কার্যক্রম সচল করতে শুরু করেছে । তারই ধারাবাহিকতায় জেএমবি তার সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে এবং বাংলাদেশের বৃহত্তম মৌলবাদী ইসলামী সংগঠন হেফাজত-এ-ইসলামি সঙ্গে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করছে। হেফাজত-এ-ইসলাম-এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, জামাত-ই-ইসলামি বাংলাদেশের সঙ্গে মিলে ইসলামি দলগুলির জন্য একটি সাধারণ মঞ্চ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কাজ করছেন।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি-বাংলাদেশ-এর পুনরুজ্জীবন, যে সন্ত্রাসবাদী দলটি প্রায় এক দশক ধরে সুপ্ত ছিল। হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি-বাংলাদেশ এবার হেফাজত-এ-ইসলামের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে এবং বেশ কয়েকটি কওমি মাদ্রাসা এখন হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি-পন্থী হয়ে উঠেছে যা বাংলাদেশকে আস্তে আস্তে আফগানিস্তান ও সিরিয়া বানিয়ে দিচ্ছে ।